এখনো মেয়েরা নিজের রক্ত দিয়ে আমাকে প্রেমপত্র লেখে : কাসেম বিন আবুবাকার

বিস্তারিত দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন
Loading...

কাসেম বিন আবুবাকার লেখালেখি শুরু করেন ৭০ দশকে। প্রথমেই তার বই প্রকাশিত হয়নি। প্রকাশকরা কেউই তার বই প্রকাশ করতে আগ্রহী ছিলেন না। পরবর্তীতে যখন তার প্রথম বই প্রকাশিত হয় তখন থেকেই তা দেশের আনাচে-কানাচে বিক্রি হওয়া শুরু হয়। তিনি এমন এক শ্রেণির জন্য লেখা শুরু করেন, অন্য লেখকরা যার কোনো সন্ধানই পাননি। ফলে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে ক্রমে।

সম্প্রতি এএফপি, ডেইলি মেইলসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এতে প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশের বর্ষীয়ান ও জনপ্রিয় লেখকের নানা কথা।

নিজের জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে কাসেম বিন আবু বকর বলেন, ‘এখনো মেয়েরা নিজের রক্ত দিয়ে আমাকে প্রেমপত্র লেখে। কেউ কেউ আমাকে বিয়ে করতেও পাগল। ‘

কাসেম বিন আবুবাকারের ভক্তরা এই বুড়ো বয়সেও মধুর জ্বালা দেয় বলে জানান লেখক। ঢাকায় তার বইয়ের দোকানে বোরখা পরা নারীরা চলে আসেন তার অটোগ্রাফ নেওয়ার জন্য। আর বাসার ঠিকানায় অসংখ্য চিঠি-তো আছেই। নিয়মিত এত চিঠি আসে যে পোস্ট অফিসের পিয়ন নাকি তাদের পরিবারের সদস্যর মতো হয়ে গেছে।

বিয়ের প্রস্তাব বা প্রেমপত্রর পাশাপাশি অনেক দুর্নীতিবাজ আমলাদের চিঠিও পেয়েছেন বলে জানান লেখক। তারা কীভাবে তার বই পড়ে সৎ পথে ফিরে এসেছে সেগুলো লেখা থাকে সেসব পত্রে।

তিন দশক আগে প্রকাশিত ‘ফুটন্ত গোলাপ’ এখনো বড় একটা শ্রেণির কাছে জনপ্রিয়। ১৯৭৮ সালে হাতে লেখা উপন্যাসটি নিয়ে প্রকাশকের কাছে গিয়েছিলেন লেখক কাসেম বিন আবুবাকার। কিন্তু প্রকাশক বেশ কয়েক বছর পাণ্ডুলিপিটি পড়েও দেখেনি। ‘মোল্লাদের উপন্যাস চলে না’ বলে প্রকাশনা সংস্থা থেকে বলা হচ্ছিল। মাত্র এক হাজার টাকায় কপিরাইট বিক্রি করে দিয়েছিলেন লেখক কাসেম বিন আবুবাকার। প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ওঠে উপন্যাসটি।

তারপর আরও অনেকগুলো উপন্যাস লেখেন তিনি। যেগুলোর কাহিনী আবর্তিত হয়েছে বোরখা পরা নারী, খারাপ ছেলের ভালো হয়ে যাওয়া, ধর্মের পথে ফিরে আসা যুবক-যুবতীর কথা। দেশের শহর থেকে শুরু করে গ্রাম-গঞ্জের বহু মানুষই এসব বইয়ের পাঠক।

বিস্তারিত দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন
x